বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল এ জাহাজ ও বিমান নিখোঁজ হয়ে যাবার কথা এবং অদ্ভুত সব ঘটনা সম্পর্কে আমরা জানি। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের ত্রিভুজাকৃতিক রেখা কোন দেশ, জাতি বা কোন সংস্থা কর্তৃক সম্পূর্ণভাবে নির্ধারিত নয়। কথিত আছে যে, যদি কোন জলযান অথবা প্লেন এই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল এ প্রবেশ করে তাহলে সেটা হাওয়ায় হারিয়ে যায় যার কোন শনাক্তকরণ চিহ্ন পর্যন্তও কেউ খুঁজে পায়না। এই ব্যপারটি অবিশ্বাস্যভাবে জনপ্রিয়।
জনমনে যত ধরনের ভীতিকর বিষয়ের আবির্ভাব হয়েছে তার মধ্যে ভিনদেশী এলিয়েন এবং অদ্ভুত কোন শক্তির উপস্থিতি সম্পর্কেই বেশী বক্তব্য রয়েছে! কিছু কাহিনী রয়েছে যে, যখন জাহাজ এই এলাকায় প্রবেশ করে তখন এর দিকনির্দেশক যন্ত্র বিকল হয়ে পরে এবং জাহাজটি তার দিক হারিয়ে ফেলে। অনেকে মনে করে, লুকোনো কিছু শক্তি যা এসেছে প্রাচীন আটলান্টিস এর বেঁচে যাওয়া অথবা তার প্রযুক্তি কারণে এসব হচ্ছে।
প্রকৃতপক্ষে, এসকল কথা বা কুসংস্কার সম্পূর্ণই ভিত্তিহীন এবংযুক্তিহীন… আসল ব্যাপারটি কিন্তু আলাদা! মার্কিন নৌ কর্তৃপক্ষ এই ধরনের কোন বিষয়কে এখনো কোন স্বীকৃতি দেয়নি। বিজ্ঞানীদের সুস্পষ্ট ধারনা, এখানে কোন অতিপ্রাক্রিতিক কোন কিছু নেই যেটা মহাসাগরের অন্য জায়গা থেকে আলাদা। মহাসাগর এমনিতেই বিশাল এবং ট্রায়াঙ্গলের সীমানাতে মহাসাগরের বিশালতা অন্যান্য জায়গা থেকে অনেক বেশী। ট্রায়াঙ্গেল এলাকাতে পানির গভীরতা এতোটা বেশী যে একটি শক্তিশালী বায়ুমণ্ডলের চাপ সৃষ্টি হয়েছে যেটা যেকোনো বস্তুকে নিজের কেন্দ্রের দিকে টেনে নিয়ে যেতে পারে এবং যার ফলে যেকোনো বস্তুই দিক হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। আশা করছি বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল সম্পর্কে আর কোন ভুল বক্তব্য আপনাদের বিভ্রান্ত করবেনা…
.jpg)
.jpg)
