/*----- Disable Text Selection with CSS Code--- Esobondhu----*/ body { -webkit-user-select: none; -moz-user-select: -moz-none; -ms-user-select: none; user-select: none; }

স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি পুনাজ্ঞ সাইট

Monday, April 30, 2018

কিডনিতে পাথর হবার ১০ টি নিশ্চিত লক্ষণ জেনে নিন !!




কিডনিতে পাথর – কিডনিতে পাথর হলে মূত্র নালীতে প্রচণ্ড যন্ত্রণা হয়। অনেক সময়ই আমরা কিডনিতে পাথর হওয়ার লক্ষণগুলিকে অবহেলা করি। কিডনিতে পাথরের কিছু লক্ষণ হল জ্বর, বমি ভাব, তলপেটে যন্ত্রণা, মূত্রের রঙ পরিবর্তন, ঘন ঘন মূত্র ত্যাগ, অল্প পরিমাণে মূত্র এবং উগ্র গন্ধ।
প্রাকৃতিক উপায়ে পাতার রসের থেকে এর চিকিৎসা সম্ভব হলেও এই অসুখের প্রথম ধাপেই এর চিকিৎসা করিয়ে নেওয়া সব থেকে ভাল। ছোট পাথরগুলি অনেক সময়ই নজরে আসে না কিন্তু পরে সেগুলি বড় আকার ধারণ করে। আসুন দেখে নেওয়া যাক কিডনিতে পাথর হওয়ার দশটি লক্ষণ।







১. শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব

কিডনিতে পাথর ক্যালসিয়ামের জন্যই হয়। যে সব লোকের শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা অল্প তাদেরই কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা সব থেকে বেশি। কারণ ক্যালসিয়ামই অক্সালেটকে মূত্রনালিতে ঢুকে পাথর তৈরি হওয়া থেকে বাধা দেয়।





২. তলপেট বা কোমরে যন্ত্রণা

তলপেট বা কোমরে যন্ত্রণা কিডনিতে স্টোনের প্রথম লক্ষণ। সঠিক সময় চিকিৎসা না করালে এই যন্ত্রণা বাড়তে থাকবে। খুব যন্ত্রণা হলে অবিলম্বে ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত।





৩. মূত্রের রঙ পরিবর্তন

যখন কিডনির পাথর মূত্রনালির ভিতর দিয়ে যায় তখন অনেক সময়ই সেটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে। এইরকম ঘটলে মূত্রের রঙ বদলে যায় এবং ঝাঁঝালো গন্ধ বেড়োয়।

৩. ঘনঘন এবং যন্ত্রণাদায়ক মূত্র ত্যাগ

যখন কিডনির পাথর ব্লাডারে পৌঁছায় তখন ব্লাডার অনেক সময়ই ফুলে ওঠে। এর ফলে যন্ত্রণা ও ঘনঘন মূত্র ত্যাগ হতে পারে। তবে এটা অন্য রোগের লক্ষণও হতে পারে যেমন মূত্রনালিতে সংক্রমণ বা যৌন রোগ।





৪. জ্বর ভাব

কিডনির পাথর মূত্রনালিতে আঁটকে গেলে জ্বর, কাশি, কান্তি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মাঝেমধ্য বমি বমি ভাবও আস্তে পারে।

৬. মূত্রের সাথে রক্ত বেরানো

মূত্রের সাথে রক্ত বেরানোকে হেমাচুরিয়া বলে। কিডনিতে পাথর হলে এরকম হতে পারে। এর ফলে মূত্রের রঙ অনেক সময়ই কালচে হয়।

৭. বংশে যদি কিডনিতে পাথরের ইতিহাস থাকে

আপনার পরিবারের যদি কারুর কিডনিতে পাথর হয়ে থাকে তাহলে আপনার কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আপনার বাবা মায়ের যদি কিডনি পাথর হয়ে থাকে তাহলে আপনার অক্সালেটকে নিবিষ্ট করার ক্ষমতা কমে যায়।






৮. ইনফ্লামেটরি বাওয়েল ডিজিজ

যদি আপনি আই.বি.ডি, ক্রোহন ডিসিজে ভোগেন তাহলে আপনার কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। এইরকম রোগে ভুগলে ডাইরিয়া হতে পারে যার ফলে ডিহাইড্রেসন হতে পারে এবং সেখান থেকে কিডনিতে পাথর হয়।

৯. রিকারেন্ট ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশন

রিকারেন্ট ইউ.টি.আই এর ফলে কিডনিতে পাথর হতে পারে কারণ সেক্ষেত্রে আপনার মূত্রনালিতে পাথর আঁটকে যেতে পারে। যদি আপনার এরকম হয়ে থাকে তাহলে আপনার শীঘ্র ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত।






১০. রেচক ঔষধ সমস্যা

অতিরিক্ত রেচক ঔষধ ব্যবহার শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যতা কমে যার ফলে পুষ্টি শোষণ করার ক্ষমতা রোধ হতে পারে। ফলে কিডনিতে পাথর হতে পারে। রেচক ঔষধ ব্যবহারে ডিহাইয়েড্রেশন হতে পারে যা কিডনি পাথরের সৃষ্টি করতে পারে।


শেয়ার করুন আপনার প্রিয়জনদের সাথে, সুস্থ থাকুন সবল থাকুন।


Share:
Copyright © Bangla Labs | Powered by Blogger Design by ronangelo | Blogger Theme by NewBloggerThemes.com