/*----- Disable Text Selection with CSS Code--- Esobondhu----*/ body { -webkit-user-select: none; -moz-user-select: -moz-none; -ms-user-select: none; user-select: none; }

স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি পুনাজ্ঞ সাইট

Thursday, May 3, 2018

হৃদরোগের ঝুঁকি লাল মাংসে – Heart Disease in Read Meat

রেড মিট (Red Meat), কোলেস্টেরল (Cholesterol), উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension), ডায়াবেটিস (Diabetes), ধূমপান, স্ট্রেস বা মানসিক চাপ ইত্যাদি নানা কারণে হৃদরোগ বা হার্ট ডিজিজ (Heart disease) হতে পারে। এসব একেবারেই পুরাতন কথা। অতি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ ড. স্ট্যানলি হ্যাজেন ও তার সহকর্মীরা হৃদরোগের এক নতুন শত্রু বা কালপ্রিট শনাক্ত করেছেন। আর হৃদরোগ সৃষ্টির এই নতুন শত্রুও পাওয়া গেছে লাল মাংসে।





বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, স্যাসুরেটেড ফ্যাট ও কোলেস্টেরল হৃদরোগ সৃষ্টিতে সামান্যই ভূমিকা রাখে, যা এতদিন অনেক বড় করেই দেখা হতো। আর হৃদরোগের এই নতুন শত্রু সম্পর্কে বলা হচ্ছে, লাল মাংস আহারের পর এক ধরনের কেমিক্যাল বা রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরিত হয় পাকস্থলিতে যা ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ভেঙে যায়। লিভার বা যকৃত তখন এই কেমিক্যালকে টামো (TMAO) নামের অন্য একটি ক্ষতিকর কেমিক্যালে রূপান্তরিত করে। এই টামো অথবা কারনিটিন নামের কেমিক্যালটি রক্তে প্রবাহিত হয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।







বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, হৃদরোগ সৃষ্টিতে টামোর ভূমিকা থাকায় এখন এন্টিবায়োটিকও হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাসে ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি রক্তে টামোর (টিএমএও) পরিমাণ দেখেও হৃদরোগ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।

হৃদরোগের নতুন শত্রু শনাক্ত সম্পর্কিত নতুন গবেষণা সম্পর্কে হারভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথ-এর অধ্যাপক ড. ফ্রাংক স্যাকস উল্লেখ করেছেন, নতুন গবেষণাটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক ও ইমপ্রেসিভ। এই গবেষণার ফলাফল নিয়ে সন্দেহ করার মত কিছু নেই।



এদিকে রেড মিট সম্পর্কে স্ট্যাডি অথার এবং ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের সেলুলার এন্ড মলিকুলার মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. হ্যাজেন উল্লেখ করেন, রেড মিট-এর সব কিছুই খারাপ এবং এটা পরিহার করতে হবে এমনটি বলা যাবে না। রেড মিট-এর প্রোটিন ও ভিটামিন অবশ্যই স্বাস্থ্যের জন্য দরকার। রেড মিট আহারে হৃদরোগের ঝুঁকি কেন বাড়ে মূলত তাই অনুসন্ধান করার জন্যই গবেষণা।




বিশেষজ্ঞগণ ধারণা করতেন রেড মিটের শুধু কোলেস্টেরল ও স্যাসুরেটেড ফ্যাট থেকেই যে হৃদরোগের ঝুঁকি সৃষ্টি হয় তা নয়। ড. হ্যাজেন আরো উল্লেখ করেন- গবেষণায় প্রতীয়মান হয়েছে রেড মিটের কারনিটিন (L-carnitine)হচ্ছে হৃদরোগ সৃষ্টির জন্য অন্যতম কালপ্রিট। বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, কারনিটিন নিজে এতটা ক্ষতিকর নয়। তবে পাকস্থলিতে এই কারনিটিন যখন ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে মেটাবোলাইজড বা হজম হয় তখনই বিপদ হয় এবং কানিটিন টামো হিসাবে রক্তে সঞ্চালিত হয়।

ড. হ্যাজেন আর একটি উদ্বেগজনক তথ্য দিয়েছেন। আর তা হচ্ছে এনার্জি ড্রিংকসমূহেও কারনিটিন পাওয়া যায় এবং যা  ভূমিকা রাখে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই যাদের হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি তাদের রেড মিট ও এনার্জি ড্রিংকস সম্পর্কে সচেতন থাকা উচিত।
Share:
Copyright © Bangla Labs | Powered by Blogger Design by ronangelo | Blogger Theme by NewBloggerThemes.com